
যুক্তরাষ্ট্রেরই বায়োএনটেক কোম্পানির সঙ্গে যৌথভাবে এই ভ্যাকসিন উৎপাদন করেছে ফাইজার। এই কোম্পানির ভ্যাকসিনের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী সাড়া পড়ে গেছে এবং এখন পর্যন্ত স্বেচ্ছায় ৪৩ হাজার ৬’শ ৬১ জন মানুষ পরীক্ষামূলকভাবে এই ভ্যাকসিন করেছেন এবং ৪১ হাজার ১’শ ৩৫ জন ভ্যাকসিন বা প্লাসবো এর দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন তাতে এর ৯৫ ভাগ কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ কোম্পানি ঘোষণা করেছে, তারা চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইউরোপীয় ইউনিয়নকে করোনা-ভ্যাকসিন সরবরাহ শুরু করতে পারবে।ফাইজার ও বায়োএনটেক চলতি নভেম্বর মাসের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ বিষয়ক সংস্থা- এফডিআই’র কাছে এই ভ্যাকসিন বিক্রির লাইসেন্সের জন্য আবেদন করবে।











