নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল দক্ষিণ ডিককুল দিনে-দুপুরে দোকান ভাংচুর ও লুটপাট করেছে বলে একটি অভিযোগ উঠেছে। একটি সক্রিয় চিহ্নিত দুধর্ষ সন্ত্রাসীরা। দিনের পর দিন মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কক্সবাজার শহরের অপরাধ।বিভিন্ন অপরাধচক্রের কার্যক্রম দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।বাড়ছে কিশোর গ্যাং চক্রের। কয়েকজন পথচারীর সামনে দিনে-দুপুরে সৌদি প্রবাসী সানা উল্লাহর কাপড় দোকানে হামলা করে নগদ টাকা ও কিছু মালামাল লোটপাত করে নিয়ে যায়।
সোমবার ( ৪ এপ্রিল ) দুপুর ২ টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে দোকান ব্যবসায়ী সৌদি প্রবাসী সানা উল্লাহ। তিনি বলেন দুপুরে আমান উল্লাহ ও নেচার এই দুইজনে দোকানে আসে টাকা খুজেন, দোকান ব্যবসায়ী সানা উল্লাহ বলেন কিসের টাকা? সন্ত্রাসী নেচার ও আমান উল্লাহ বলেন এখানে দোকান করতে হলে আমাদেরকে চাঁদা দিতে হবে। না হলে এখানে ব্যবসা করা যাবে না। কিন্তু টাকা না দেওয়ায় তাকে মারধর করে চলে যায়। পরে মোটরসাইকেল নিয়ে আরও অজ্ঞাতনামা সহ ৫ জন মালামাল লুটপাট করে তার দোকানে থাকা ৭০ টাকা নিয়ে চলে যায়।
পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,চার থেকে পাঁচজন সন্ত্রাসীরা দিনে-দুপুরে দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে ভুক্তভোগী সৌদি প্রবাসী কাপড় দোকান ব্যবসায়ী সানা উল্লাহকে মারধর করে তার দোকানে থাকা প্রায় ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীরাদের দাবি ওই এলাকায় দোকান করতে হলে তাদের কাছে চাঁদা দিতে হবে।না হলে দোকান করতে দেওয়া হবে না।প্রথমে আমান উল্লাহ ও নেচার সহ চাঁদার টাকা খুজতে আসেন।দোকান মালিক সানা উল্লাহ টাকা না দিবে বলে পরে মোটরসাইকেল করে আরো ৩ জন চলে আসে। সাথে সাথে দোকানের মালামাল এদিক সেদিক চুড়ে পেলে। দোকানের ক্যাশে টাকা নগদ টাকা ৭০ হাজার টাকা নিয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। একের পর এক কক্সবাজারের ঘটনা ঘটলেও কিশোর গ্যাং এর অপরাধ কর্মকাণ্ড থেমেনি। তাই একের পর এক অপরাধমূলক ঘটনা ঘটতে থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক ও ভয়।
যেহেতু দিন দুপুরে এসমস্ত অপকর্ম হয়,রাতে আরো বেড়ে যেতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছে ।দক্ষিণ ডিকখুলে সন্ত্রাসীসহ কিশোর গ্যাং এর প্রতি নজরদারি করা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দোকান ব্যবসায়ী কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।















