করোনা মহামারিজনিত পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে যে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠার অংশ হিসেবে এবার সদর দফতর ভবন বিক্রি করে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ। করোনা পরিস্থিতির কারণে কর্মীদের অনেকে বাড়িতে বসে কাজ করায় এখন আর এতো বড় অফিস স্পেসের প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে তারা। মহামারি পরবর্তী সময়েও বাড়ি আর অফিস মিলিয়ে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে কোম্পানিটি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
করোনা মহামারি মোকাবিলার অংশ হিসেবে বাড়ি থেকে অফিস করার প্রচলন শুরুর পর অনেক ব্রিটিশ কোম্পানিই তাদের অফিসের ফুটপ্রিন্ট্রে পরিবর্তন আনার উদ্যোগ নিয়েছে। অফিসের জায়গা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তারা। এতে করে মহামারিজনিত আর্থিক ধাক্কা কিছুটা হলেও কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ব্যাংকিং জায়ান্ট লয়েডস ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে যে তারা তিন বছরের মধ্যে অফিসের জায়গা ২০ শতাংশ কমিয়ে আনবে। আর এইচএসবিসি বলছে ৪০ শতাংশ কমিয়ে আনার কথা।
এবার সে পথে হাঁটছে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ। কোম্পানিটির সদর দফতর ভবন বিক্রি করে দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে ফিনান্সিয়াল টাইমস। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে কোম্পানিটির অর্থনৈতিক সাশ্রয় হবে।
ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের এক বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের অনেক কর্মী বাড়িতে বসে কাজ করাকেই উপভোগ করছেন। আর সেকারণে ভবিষ্যতে বাড়ি ও অফিস মিলিয়ে কাজ করার মতো নীতিমালা তৈরি করছেন তারা।
‘সংকট কাটিয়ে উঠতে আমরা আমাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে নতুন করে সাজিয়েছি এবং ভাবছি এতো বড় সদর দফতর ভবনের প্রয়োজন এখন আর আমাদের আছে কিনা।’ এক বিবৃতিতে বলেছেন কোম্পানিটির মুখপাত্র।











