সেনা অভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে চলমান সহিংস পরিস্থিতির মধ্যে দেশে ফিরতে না পারা মিয়ানমারের নাগরিকদের সাময়িক আশ্রয় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সরকারের টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস (টিপিএস)-এর আওতায় এ সুবিধা দেওয়া হবে। সাময়িক এ সুরক্ষার মেয়াদ হবে এক বছর। পরিস্থিতি বুঝে তা আরও বাড়ানো হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট থেকে শুক্রবার (১২ মার্চ) এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি’র প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারকে হটিয়ে সেনাবাহিনী মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে। নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চি ও এনএলডির অধিকাংশ নেতাকে হয় কারাগারে না হয় বাড়িতে বন্দি করে রেখেছে সেনাবাহিনী। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে ২ হাজারের বেশি মানুষকে। প্রাণ হারিয়েছে ৭০ জনের জনেরও বেশি মানুষ।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থানের পর নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে দমনপীড়ন চালাচ্ছে, নির্বিচারে ধরপাড়ক চলছে এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি দিন দিন আরো বেশি খারাপ হচ্ছে। যে কারণে মিয়ানমারের নাগরিকদের জন্য নিজ দেশে ফেরা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এমন অবস্থায় টিপিএস প্রকল্পের আওতায় মিয়ানমারের ওইসব নাগরিকদের সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির যেসব নাগরিক এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং ২০২১ সালের ১১ মার্চ পর্যন্ত বসবাসের বৈধ অনুমতিপত্র আছে কেবল তারাই এই সুবিধা পাবেন।















