ইংল্যান্ডে জাতীয় পরিসংখ্যানের সর্বশেষ হিসেব মত সেকেন্ডারি বা মাধ্যমিক স্কুলের প্রতি ২০ জনের একজন ছাত্রÑছাত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মহামারি শুরুর পর থেকে এটি সর্বোচ্চ সংখ্যার রিপোর্ট।
যদি করোনা ভাইরাস শিশুদের জন্য খুই কম ঝুঁকিপুর্ণ এবং গুরুতর অসুস্থতা বিরল।
ইতিমধ্যে ব্রিটেনে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের এক ডোজ করে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়েছে
ব্রিটেনের প্রধান মেডিকেল অফিসার বলেছেন, এটি এই বয়সের শিশুদের স্কুলে যেতে সহায়তা করবে।
এর আগে কেবল মাত্র কিশোর কিশোরীদের স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনা করে ভ্যাকসিন দেয়া হত, তাদের মাত্র একটি করে ডোজ দেয়া হয়, যাতে করে তারা বাড়িতে বসবাসকারীদের ঝুঁিকতে না ফেলে।
অএনএস এর তথ্য মতে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১১ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের মধ্যে সংক্রমন বেড়েছে প্রায় ৫ শতাংশ।
একইভাবে প্রাথমিক বয়সের শিশুদের মধ্যেও সংক্রমন বাড়ছে কিন্তু তাদের পরিসংখ্যা ২.৬ শতাংশের কম।
এদিকে সম্প্রতি আরেকটি গবেষনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাজ্যের করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ইউরোপের অন্যান্য সব দেশের তুলনায় বেশি। একই সাথে সামনে এই পরিস্থিতি বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে এই গবেষনায় বলা হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের করা এক গবেষনায় বলা হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে ৫২ শতাংশ মানুষই করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে।
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত ২০০ দেশের মধ্যে যুক্তরাজ্যের অবস্থান ১৪। ২২ সেপ্টম্বরের সপ্তাহে যুক্তরাজ্যে মোট করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৯১ হাজার ৭৭১জন। যা তার আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৮ শতাংশ বেশি।
যুক্তরাজ্যের গবেষনা সংস্থা থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে করোনা পরিস্থিতি একই জায়গায় আছে গত এক মাসের বেশি সময় ধরে। দেশটিতে বেশির ভাগ মানুষ টিকা গ্রহন করেছে। তারপরও করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না। যা একটি সতর্কবার্তা। তাই সামনে এই পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারন করতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।














